Monday, October 15, 2018

ভারতে ভ্রমন করার জন্য টিপস

আপনি কি এই শীতের দিনে ইন্ডিয়া ভ্রমন করতে চান? যদি উত্তর হ্যাঁ হয়। তাহলে আপনার জন্য এই লেখাটি হবে খুবি গুরুত্বপূর্ন। কারন, ইন্ডিয়াতে ভ্রমন করার মত অনেক স্থান আছে। যেগুলো অল্প খরচে দেখে আসতে পারেন।

১. কিভাবে ভিসা করবেন?

ইন্ডিয়াতে আসার অনেকগুলো ভিসা পাওয়া যায়। যেমন- টুরিষ্ট ভিসা, ট্রানজিট ভিসা, মেডিকেল ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা সহ বিভিন্ন প্রকার ভিসা পাওয়া যায়। তবে ভ্রমন করার জন্য টুরিষ্ট ও ট্রানজিত ভিসা করলে বেশি সুবিধা পাওয়া যায়।

পাসপোর্ট
ভিসা করার জন্য প্রথমে কোন এজেন্ট এর কাছে গিয়ে আপনার পাসপোর্ট, বিদ্যুৎ বিলের কাগজ, ব্যাংক স্ট্যাটম্যান্ট বা ডোলার ইনডোজ ম্যান্ট, আপনার পরিচয় পত্র, একটি ছবি ২/২ ব্যাক গ্রাউন্ড সাদা হতে হবে। এই সব প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র নিয়ে এজেন্টে কাছে যাবেন। ওনি সব কিছু করে দিয়ে আপনার কাছ থেকে ৫০০শত টাকা মত নিতে পারেন। উল্লেখ্য যে- আপনাকে একটু সকাল সকাল বের হতে হবে। কারন, ইন্ডিয়া ওয়েবসাইট সকাল ১১টা ভিতরে বন্ধ হয়ে যায় আর ইন্ডিয়া এ্যাম্বেসি ভিসার জন্য মানুষ এন্টি করে ১ টা নাগাদ পর্যন্ত। আর ভিসা ফ্রি ৬৫০ টাকা ইউ ক্যাশ করতে হবে।

সবকিছু ঠিক ঠাক থাকলে দুই দিনের মধ্যে আপনি ভিসা পেয়ে যাবেন। আর যদি ঠিক না থাকে তাহলে আপনি ভিসা নাও পেতে পারেন।

এখন ভিসা ফরম করার সময় আপনি কোন পথ দিয়ে বর্ডার ক্রস করবেন। তখন আপনি যদি বাই এয়ার বাই রোড দেন তাহলে আপনার জন্য সুবিধা হবে। কারন, আপনি যে কোন মাধ্যম দিয়ে আসতে পারবেন। 

২. ইন্ডিয়াতে কি ভাবে আসবেন?

আপনি যদি বাসে করে আসতে চান। তাহলে চট্টগ্রাম ডামপাড়া স্টেশন থেকে বিভিন্ন কোম্পানির গাড়ি পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে শ্যামলী পরিবহস, গ্রীন লাইন পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, সোডিয়া পরিবহন সহ বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন ক্যাটাগরির বাস পাওয়া যায়। আর ভাড়াও ক্যাটাগরির উপরে নির্ভর করে। ৯০০ থেকে শুরু করে ২৫০০/৩০০০ মত ভাড়া হয়। সময় লাগে প্রায় ১৩/১৪ ঘন্টা।
বেনাপোলে এসে নামবেন। 

আপনাকে দুইটি ইমিগ্রেশন সম্পুর্ন করতে হবে। একটা বাংলাদেশে আরেকটা ইন্ডিয়ার। পার হওয়ার পরে আপনি যে গাড়িতে আসছেন। সেই গাড়ির কোম্পানি গুলো দাড়িয়ে থাকবে। আপনি সেখানেও উঠতে পারেন। অথবা আপনি চাইলে কম খরচে কম সময়ে যেতে পারেন।
কিভাবে কম খরচে কলকাতায় পৌছাবেন?

ইমিগ্রেশন করার সময় বেনাপোল বর্ডার
আপনি ইমিগ্রেশন করার পর যদি টাকা একচেঞ্জ করতে চান তাহলে। সেখানে অনেকগুলো একচেঞ্জ করার জন্য দোকান আছে। রেট দেখে আপনি একচেঞ্জ করবেন। তবে একটা কথা বলে রাখি। এখানে একটু কম দাম দেয়। একচেঞ্জ করার পর লাইনের অটো আছে। সেখানে উঠবেন বনগাও রেল স্টেশন বললে সেখানে নামিয়ে দিবে। নামিয়ে দেয়ার পর আপনি টিকেট কাউন্টার গিয়ে ২০ রুপি দিয়ে টিকেট কাটবেন। তারপর ট্রেনে উঠে ২/২.৩০ ঘন্টার ভিতরে শিয়ালদহ স্টেশনে নামবেন। নেমে এবার গাড়ি ধরতে পারবেন। আপনি কোন হোটলে বা কারোর বাড়িতে গেলে সেখানে বললে নিয়ে যাবে। তবে দরদাম করে উঠবেন। আর চাইলে আপনি লোকাল বাসে করে চলে যেতে পারবেন।

আপনি কি ফ্লাইটে আসতে চান?

রিজেন্ট ফ্লাইট চিটিগাং বিমান বন্দর
তাহলে আরো বেশি সোজা। ফ্লাইটের জন্য বাংলাদেশ বিমান, রিজেন্ট, ইউএস বাংলা, সহ বিভিন্ন রকম ফ্লাইটের সুবিধা পাওয়া যাবে। আপনি যদি ২/৩ মাস আগে কেটে রাখেন তাহলে আপনি কম টাকায় পেয়ে যাবেন। আপনারা চাইলে ওয়ান উইয়ে নিতে পারেন। আবার আসা যাওয়া কেটে ফেলতে পারেন। দাম বেশি নই ১২০০০ হাজার হচ্ছে আশা যাওয়া আর ওয়ান  উইয়ে হচ্ছে ৬/৭ হাজারের মধ্যে হয়ে যাবে।





আপনাদের ভ্রমন সুন্দর ও নিরাপদ হোক এই প্রত্যাশা রইল।

Saturday, May 13, 2017

বেকার আপনি কি করবেন?

বাংলাদেশ একটি উন্নয়ন শীল দেশ। এই দেশ ১৯৭১ সালে ১৬ই ডিসেম্বর স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশে হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান পেয়েছে। এর পর বার বার সেনা অভ্যুথান সহ নানা বিধ সমস্যা উদ্ভব হয়। সেই সব সমস্যা শুধু সরকারের কাছে যায় না। বরং আরো বেশি সেই সমস্যা মুখোমুখী হন অপামর জন সাধারন। তাই সেই সব সমস্যা থাকার কারনে বেকারত্ব বেড়ে যায়। বাংলাদেশে সবচাইতে বেশি সমস্যা সেই বেকারত্ব সমস্যা। বাংলাদেশ এই সমস্যা থেকে উত্তরনের জন্য অনেক চেষ্টা করছে। কিন্তু কিছুতেই পারছে না। কারন, সেখানেও একটি বড় সমস্যা দুর্নীতি। বাংলাদেশে এখন সব কিছুই দুর্নীতি ছোঁয়াই। তার ফলে আরো বেশি বেকারত্ব বেড়ে গেছে। সেই সাথে আছে নানা সমস্যা।

তাই এই বেকারত্বে না থেকে নিজেই কিছু করার প্রয়াস করলো আরো বেশি ভাল হয়। কারন, চাকুরী করলে আপনাকে সারা মাস খেটে হয়তো ২০-৩০ হাজার টাকা দেবে। হয়তো এর থেকে কম বেতনের চাকুরী করছে অনেকে। আর আপনি যদি সৃজনশীল কিছু করতে পারেন তাহলে আপনার প্রতি মাসে লাখের উপরে আয় করতে পারবেন। এই সৃজনশীল মধ্যে কি কি হতে পারে যেমন- আপনি কৃষি কজে এমন একটা জিনিস উৎপাদন করলেন। যার চাহিদা অনেক কিন্তু কম উৎপাদন হয়। এই ভাবে আরো বিভিন্ন ধরনের কাজ করা যায়। যদিও প্রথম দিকে একটু কষ্ট হয়। প্রথমে কিছু টাকা ও খাটুনি খাটতে হয়।  অনেকে আরার আউটসোর্সিং নিয়ে কথা বলতে চাই। কিন্তু বলাটা যতটা সহজ করাটা প্রচুর কাজ। যদিও কেউ কোন কাজে দক্ষ হলে সেটা অন্য ব্যাপার। কিন্তু আপনি যখন নতুন কিছু জানবেন এবং শিখবেন তখন কিছু করার সুযোগ পাবেন। 

Friday, September 23, 2016

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার সময়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ও চার বছর মেয়াদি প্রফেশনাল কোর্সে ভর্তির জন্য ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। শেষ হবে ২০ অক্টোবর। গতবারের মতো এবারও এসএসসি ও এইচএসসিসহ সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে। এ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবেন।
আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.admissions.nu.edu. bd) এবং (nu.edu.bd/admissions) থেকে জানা যাবে।

Monday, September 19, 2016

বারোমাসি শজনের উৎপাদন

বারোমাসি শজনের উৎপাদন
------------------------
ফাল্গুন-চৈত্র মাসের মওসুমি সবজি শজনের ডাঁটা এখন যশোরে বারো মাস পাওয়া যাবে। যশোর হর্টিকালচার সেন্টার বারোমাসি এই শজনের চারা উৎপাদন করে বিতরণ করছে। বিভিন্ন এলাকায় রোপণকৃত ওই সব চারায় ডাঁটা ধরতে শুরু করেছে। যশোর হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদ আমিনুল ইসলাম বলেন, বারোমাসি শজনেগাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। চারা লাগানোর ছয় মাসেই গাছে ডাঁটা ধরে এবং সারা বছরই এ থেকে ডাঁটা পাওয়া যায়। একটি পূর্ণবয়স্ক গাছে এক হাজার ৬০০টি পর্যন্ত শজনেডাঁটা ফলে। সাধারণত ২০টি ডাঁটায় এক কেজি হয়। এ হিসাবে একটি গাছে দুই মণ ডাঁটা ধরে। ৮০ টাকা কেজি হিসেবে এর দাম ছয় হাজার ৪০০ টাকা। বাণিজ্যিকভাবে কেউ এর চাষ করলে তিনি এক বিঘায় ৪০টি গাছ লাগাতে পারবেন। এই গাছ থেকে পাওয়া যাবে বছরে দুই লাখ ৫৬ হাজার টাকা। আমিনুল ইসলাম বলেন, খুলনা বিভাগে যশোর হর্টিকালচার সেন্টার এ বছরই প্রথম এই সজনের চারা উৎপাদন করেছে।
প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যে ইতোমধ্যে প্রায় সাত হাজার চারা বিতরণ করা হয়েছে। কিছু শিাপ্রতিষ্ঠানের শিার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে বিনামূল্যে। যশোর সদর উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের আবদুর রহমান লাগিয়েছেন ১০টি চারা। তার সব গাছে পূর্ণভাবে ডাঁটা ধরা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, বিনাযতেœ সম্পূর্ণ লাভজনক হলো শজনের চাষ। একবার লাগালেই হলো। গরু-ছাগলের উপদ্রব ঠেকানো ছাড়া সার ও কীটনাশক কিছুই ব্যবহারের দরকার নেই। সারা বছর ডাঁটা ধরবে। সব মানুষের প্রিয় সবজি হলেও দেশে এর আবাদে কারো তেমন কোনো ভূমিকা না থাকায় এটি বিলুপ্তির পথে। এ অবস্থায় চট্টগ্রামের রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র গবেষণা চালিয়ে এর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি বারোমাসি জাত উদ্ভাবনে সফল হয়েছে।
এ ফর্মুলার ভিত্তিতে যশোর হর্টিকালচার সেন্টারে চারা উৎপাদন ও বিতরণ শুরু হয়েছে। খাদ্যমান ছাড়াও শজনের ওষুধি গুণ অনেক। কৃষি কর্মকর্তারা জানান, বাতজ্বর চিকিৎসায় শজনে ব্যবহৃত হয়। পোকামাকড়ের কামড়ে অ্যান্টিসেপটিকের কাজ করে এর পাতার রস। হৃদরোগ, রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি, শ্বেতী, টাইফয়েড, প্যারালাইসিস, লিভার, ত ও চোখের রোগ প্রতিরোধ করে। শজনের বাকল, শেকড়, ফুল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ওষুধিগুণ আছে। যশোর হর্টিকালচার সেন্টার সূত্রে জানা গেছে,বসতবাড়ির আঙিনা ও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সবজি েেত এই শজনে চাষ করা যাবে। বিদেশ থেকে আনা‘পিকেএম-২’ জাতের এই শজনের চারা কৃষি কাবের সদস্য ও প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত এলাকার কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ শুরু হয়েছে। যশোর সেন্টারে বর্তমানে দুই হাজার চারা আছে। আরো পাঁচ হাজার চারা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

১০টি কাযর্করী ওসহজ মার্কেটিং টিপস

১। আপনার কার্ড বা ব্রাউচার বিভিন্ন কফি শপ, রেস্টুরেন্ট, বইয়ের দোকান, ব্যবসায়ী, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, ক্লাব ইত্যাদিতে সরবরাহ করুন। এই কাজের জন্য ১ বা ২ জন কর্মচারী নিয়োগ করতে পারেন।
২। যেকোন মেলা, অফার বা কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করুন, যাতে লোকজন আকৃষ্ট হয়। বিশিষ্ট লোকদের (আপনার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত) দাওয়াত দিন।

৩।  নেটওয়ার্কিং করুন। সুযোগ পেলেই আপনার কাজে দেবে এরকম ট্রেনিং, মিটিং বা প্রেসে অংশগ্রহন করুন। মেলা পরিদর্শন করুন। ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলুন, সখ্যতা গড়ে তুলুন।

৪। আপনার বিক্রয় বার্তা, কোম্পানীর নাম সব জায়গায় ছড়িয়ে দিন। হতে পারে লোগো, গাড়ি, শার্ট, ট্যাগ, বিল্ডিং, ইনভয়েস, খাম, রিসিপ্ট ইত্যাদি।

৫। সেবা বা পন্যের ট্রেডিং প্রোমেশনের জন্য অন্য সব ব্যবসায়ীদের আহবান করুন, পরিচিত হোন। আপনার পন্যের সাথে মার্কেটিং এ্যাডভার্টাইজিং, প্রোমেশন, অফার, প্রিন্ট, চিন্হ, পন্য বা সেবা বিনামূল্যে অফার করুন।

৬। আপনার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত অন্য সব ব্যবসায়ীদের নিকট আপনার ব্যবসা পরিচিত করে তুলুন। এক্ষেত্রে পত্রিকা, চিঠি, মেইল বা সরাসরি কথা বলা যায়।

৭। আপনার ওয়েবসাইট সকল স্থানীয় ডাইরেক্টরীতে লিপিবদ্ধ আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।

৮। আপনার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত এরকম সকল ওয়েবসাইটকে আপনি লিংক বিনিময়ের অফার করুন। সুনির্দিষ্ট ও কাজের ভিজিটর পেতে এটা খুব ভালো।

৯। প্রত্যেকের সাথে বারংবার আলাপ করুন, কিভাবে এক সাথে ব্যবসা পরিচালনা বা ব্যবসা উন্নয়ণ করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করুন। একে অন্যের সাহায্য নিন।

১০। সবসময় নিজের মনের মত মার্কেটিং বা এ্যাডভার্টাইজিং করবেন না। নিজের ভাবুন একজন ক্রেতা হিসেবে। ক্রেতা হিসেবে আপনি কি কি সুবিধা পেতে চান এ ব্যাপারে চিন্তা করে বিজ্ঞাপন দিন।

কিভাবে সফল হবেন?

সফল হবার জন্য অন্যের মত নয়, নিজের মত হোন…
ইস…! “যদি অমন সুন্দর হতাম আমি” “আরও একটু যদি লম্বা হতাম” , “অমন সুন্দর দেহ যদি আমার থাকতো” “আমারও যদি অমন একটা কিছু থাকতো” হায়…! আপনার এমন সব আকাঙ্ক্ষার নামই মনস্তাত্ত্বিক হতাশা।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষের জীবনটাই কেটে যায় এমন সব হতাশামুলক আচরণ আর চিন্তাধারায়।
মানুষের শ্রেষ্ঠ হবার আকাঙ্ক্ষাটা চিরন্তন। বরাবরই মানুষ চেয়েছে অন্যের থেকে নিজেকে শ্রেষ্ঠতম স্থানে নিয়ে যেতে। অথচ মানুষ জানেই না, অন্যকে পিছনে ফেলে নিজেকে এগিয়ে যাবার বাসনা বস্তুত নিজেকেই ছোট করে।
সম্পূর্ণ নিশ্চিত থাকতে পারেন, আরেকজনকে হারিয়ে আপনি কোনওদিন সফল হতে পারবেন না। বরং আপনি আপনার মতো থেকে আপনার জায়গাতেই কেমন করে উন্নতি করবেন, সে চেষ্টাই যদি করেন দেখবেন আপনার সাফল্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। সফল ব্যক্তিদের কাহিনী পড়েন, দেখবেন তারা কেউই অন্যকে হারাতে চাননি, বরং তারা নিজেদের জায়গায় থেকে জিততে চেয়েছেন।
হতে পারে আপনি সুদর্শন নয়, কিন্তু তাতে কি? আপনি তো আপনার বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যামণ্ডিত। আপনার ভেতরেই এমন সব গুণ রয়েছে যা অন্য যে কোনো মানুষের ভেতরে নেই।
লম্বায় একটু খাটো হয়েছেন বলে যে হতাশার সীমা থাকবে না এমনটি নয়। আপনার শারীরিক দৈর্ঘ্য আপনাকে সফল করবে না, বরং আপনার মস্তিষ্কের প্রখরতার দৈর্ঘ্য আপনাকে সাফল্যমণ্ডিত করে তুলবে।
এখানে আবার মনে রাখা প্রয়োজন, মস্তিষ্ক আর মেধা দুটো আলাদা জিনিস। মস্তিষ্ক আপনাকে সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করার পথ দেখাবে আর মেধা আপনার কাজের ক্ষেত্রে সহায়ক ভুমিকা পালন করবে। সফল ব্যক্তিদের অনেকেই খুব কম মেধাসম্পন্ন ছিলেন, বরং তারা ছিলেন উর্বর মস্তিষ্কের পরিশ্রমী ব্যক্তি, যার কারণে সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করে তারা আজ সফল।
আপনার যা কিছু নেই তা নিয়ে আপনি হতাশায় ভুগবেন না বরং যা আছে তাই নিয়েই উন্নতি করার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন-একই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি আমরা। তিনি নিজেই আমাদেরকে এক এক রকমের অনুদান দিয়ে আমাদেরকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। সৃষ্টিকর্তা আপনার পাশের মানুষটিকে সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী করেছেন, তিনি পারলে আপনাকেও সমপরিমাণ স্বাস্থ্য বা ঐশ্বর্যের মালিক করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি, কারণ সৃষ্টিকর্তা ভালো করেই জানেন কার কিসে মঙ্গল। কেননা মঙ্গলটা তো তারই সৃষ্টি।
কারও হয়তো অঢেল সম্পত্তি আছে, মনে হতে পারে অমন সম্পদ আপনার থাকলে আপনিও কিছু করে দেখাতে পারতেন। কিন্তু সত্যিই যদি ব্যাপারটা তাই হতো, তাহলে যিনি সম্পত্তির মালিক তিনি নিজেও অনেক আগেই সফল ব্যাক্তিত্ব হতে পারতেন। একটু খেয়াল করে দেখুন, অঢেল সম্পদ থাকলেও সেই মানুষটি মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারেননি। ঠিক এমনি ভাবেই একই কথা সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
সুতরাং নিজের মনের এমন দুশ্চিন্তা দূর করে ফেলুন। অহেতুক হতাশা আপনাকে শুধু অন্যের ব্যাপারে ভাবিয়ে নিজের ব্যাপারে উদাসীন করে দিবে। এর থেকে বরং নিজের ব্যাপারে ভেবে, নিজের সম্পদ আর সম্বলটুকু নিয়ে সে অনুপাতে কাজ করে যান।
মনে রাখবেন, অন্যের যা কিছু আছে তা নিয়ে ভেবে শুধু শুধু নিজে কষ্ট পাবেন কিন্তু তাতে কোন দিনও ভাগ পাবেন না। তাই অন্যের ব্যাপারে পার্থক্য করে নিজে নিজে কষ্ট না পেয়ে আপনি আপনার জায়গায় থেকে সফল হবার চেষ্টা করুন। দেখবেন, যাদের সুযোগ ছিল ভালো কিছু করার, যাদেরকে দেখে আপনি আফসোস করেছেন, একদিন তারাই আপনার সফলতার ভারে নুয়ে পড়বে।
লেখক:
মাহবুবা খাতুন।
পপুলার মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা।

কিভাবে সফল হবেন

সফল হবার জন্য অন্যের মত নয়, নিজের মত হোন…
ইস…! “যদি অমন সুন্দর হতাম আমি” “আরও একটু যদি লম্বা হতাম” , “অমন সুন্দর দেহ যদি আমার থাকতো” “আমারও যদি অমন একটা কিছু থাকতো” হায়…! আপনার এমন সব আকাঙ্ক্ষার নামই মনস্তাত্ত্বিক হতাশা।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষের জীবনটাই কেটে যায় এমন সব হতাশামুলক আচরণ আর চিন্তাধারায়।
মানুষের শ্রেষ্ঠ হবার আকাঙ্ক্ষাটা চিরন্তন। বরাবরই মানুষ চেয়েছে অন্যের থেকে নিজেকে শ্রেষ্ঠতম স্থানে নিয়ে যেতে। অথচ মানুষ জানেই না, অন্যকে পিছনে ফেলে নিজেকে এগিয়ে যাবার বাসনা বস্তুত নিজেকেই ছোট করে।
সম্পূর্ণ নিশ্চিত থাকতে পারেন, আরেকজনকে হারিয়ে আপনি কোনওদিন সফল হতে পারবেন না। বরং আপনি আপনার মতো থেকে আপনার জায়গাতেই কেমন করে উন্নতি করবেন, সে চেষ্টাই যদি করেন দেখবেন আপনার সাফল্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। সফল ব্যক্তিদের কাহিনী পড়েন, দেখবেন তারা কেউই অন্যকে হারাতে চাননি, বরং তারা নিজেদের জায়গায় থেকে জিততে চেয়েছেন।
হতে পারে আপনি সুদর্শন নয়, কিন্তু তাতে কি? আপনি তো আপনার বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যামণ্ডিত। আপনার ভেতরেই এমন সব গুণ রয়েছে যা অন্য যে কোনো মানুষের ভেতরে নেই।
লম্বায় একটু খাটো হয়েছেন বলে যে হতাশার সীমা থাকবে না এমনটি নয়। আপনার শারীরিক দৈর্ঘ্য আপনাকে সফল করবে না, বরং আপনার মস্তিষ্কের প্রখরতার দৈর্ঘ্য আপনাকে সাফল্যমণ্ডিত করে তুলবে।
এখানে আবার মনে রাখা প্রয়োজন, মস্তিষ্ক আর মেধা দুটো আলাদা জিনিস। মস্তিষ্ক আপনাকে সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করার পথ দেখাবে আর মেধা আপনার কাজের ক্ষেত্রে সহায়ক ভুমিকা পালন করবে। সফল ব্যক্তিদের অনেকেই খুব কম মেধাসম্পন্ন ছিলেন, বরং তারা ছিলেন উর্বর মস্তিষ্কের পরিশ্রমী ব্যক্তি, যার কারণে সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করে তারা আজ সফল।
আপনার যা কিছু নেই তা নিয়ে আপনি হতাশায় ভুগবেন না বরং যা আছে তাই নিয়েই উন্নতি করার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন-একই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি আমরা। তিনি নিজেই আমাদেরকে এক এক রকমের অনুদান দিয়ে আমাদেরকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। সৃষ্টিকর্তা আপনার পাশের মানুষটিকে সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী করেছেন, তিনি পারলে আপনাকেও সমপরিমাণ স্বাস্থ্য বা ঐশ্বর্যের মালিক করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি, কারণ সৃষ্টিকর্তা ভালো করেই জানেন কার কিসে মঙ্গল। কেননা মঙ্গলটা তো তারই সৃষ্টি।
কারও হয়তো অঢেল সম্পত্তি আছে, মনে হতে পারে অমন সম্পদ আপনার থাকলে আপনিও কিছু করে দেখাতে পারতেন। কিন্তু সত্যিই যদি ব্যাপারটা তাই হতো, তাহলে যিনি সম্পত্তির মালিক তিনি নিজেও অনেক আগেই সফল ব্যাক্তিত্ব হতে পারতেন। একটু খেয়াল করে দেখুন, অঢেল সম্পদ থাকলেও সেই মানুষটি মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারেননি। ঠিক এমনি ভাবেই একই কথা সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
সুতরাং নিজের মনের এমন দুশ্চিন্তা দূর করে ফেলুন। অহেতুক হতাশা আপনাকে শুধু অন্যের ব্যাপারে ভাবিয়ে নিজের ব্যাপারে উদাসীন করে দিবে। এর থেকে বরং নিজের ব্যাপারে ভেবে, নিজের সম্পদ আর সম্বলটুকু নিয়ে সে অনুপাতে কাজ করে যান।
মনে রাখবেন, অন্যের যা কিছু আছে তা নিয়ে ভেবে শুধু শুধু নিজে কষ্ট পাবেন কিন্তু তাতে কোন দিনও ভাগ পাবেন না। তাই অন্যের ব্যাপারে পার্থক্য করে নিজে নিজে কষ্ট না পেয়ে আপনি আপনার জায়গায় থেকে সফল হবার চেষ্টা করুন। দেখবেন, যাদের সুযোগ ছিল ভালো কিছু করার, যাদেরকে দেখে আপনি আফসোস করেছেন, একদিন তারাই আপনার সফলতার ভারে নুয়ে পড়বে।
লেখক:
মাহবুবা খাতুন।
পপুলার মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা।