Friday, September 23, 2016

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার সময়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ও চার বছর মেয়াদি প্রফেশনাল কোর্সে ভর্তির জন্য ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। শেষ হবে ২০ অক্টোবর। গতবারের মতো এবারও এসএসসি ও এইচএসসিসহ সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে। এ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবেন।
আজ শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.admissions.nu.edu. bd) এবং (nu.edu.bd/admissions) থেকে জানা যাবে।

Monday, September 19, 2016

বারোমাসি শজনের উৎপাদন

বারোমাসি শজনের উৎপাদন
------------------------
ফাল্গুন-চৈত্র মাসের মওসুমি সবজি শজনের ডাঁটা এখন যশোরে বারো মাস পাওয়া যাবে। যশোর হর্টিকালচার সেন্টার বারোমাসি এই শজনের চারা উৎপাদন করে বিতরণ করছে। বিভিন্ন এলাকায় রোপণকৃত ওই সব চারায় ডাঁটা ধরতে শুরু করেছে। যশোর হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদ আমিনুল ইসলাম বলেন, বারোমাসি শজনেগাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। চারা লাগানোর ছয় মাসেই গাছে ডাঁটা ধরে এবং সারা বছরই এ থেকে ডাঁটা পাওয়া যায়। একটি পূর্ণবয়স্ক গাছে এক হাজার ৬০০টি পর্যন্ত শজনেডাঁটা ফলে। সাধারণত ২০টি ডাঁটায় এক কেজি হয়। এ হিসাবে একটি গাছে দুই মণ ডাঁটা ধরে। ৮০ টাকা কেজি হিসেবে এর দাম ছয় হাজার ৪০০ টাকা। বাণিজ্যিকভাবে কেউ এর চাষ করলে তিনি এক বিঘায় ৪০টি গাছ লাগাতে পারবেন। এই গাছ থেকে পাওয়া যাবে বছরে দুই লাখ ৫৬ হাজার টাকা। আমিনুল ইসলাম বলেন, খুলনা বিভাগে যশোর হর্টিকালচার সেন্টার এ বছরই প্রথম এই সজনের চারা উৎপাদন করেছে।
প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যে ইতোমধ্যে প্রায় সাত হাজার চারা বিতরণ করা হয়েছে। কিছু শিাপ্রতিষ্ঠানের শিার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে বিনামূল্যে। যশোর সদর উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামের আবদুর রহমান লাগিয়েছেন ১০টি চারা। তার সব গাছে পূর্ণভাবে ডাঁটা ধরা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, বিনাযতেœ সম্পূর্ণ লাভজনক হলো শজনের চাষ। একবার লাগালেই হলো। গরু-ছাগলের উপদ্রব ঠেকানো ছাড়া সার ও কীটনাশক কিছুই ব্যবহারের দরকার নেই। সারা বছর ডাঁটা ধরবে। সব মানুষের প্রিয় সবজি হলেও দেশে এর আবাদে কারো তেমন কোনো ভূমিকা না থাকায় এটি বিলুপ্তির পথে। এ অবস্থায় চট্টগ্রামের রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্র গবেষণা চালিয়ে এর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি বারোমাসি জাত উদ্ভাবনে সফল হয়েছে।
এ ফর্মুলার ভিত্তিতে যশোর হর্টিকালচার সেন্টারে চারা উৎপাদন ও বিতরণ শুরু হয়েছে। খাদ্যমান ছাড়াও শজনের ওষুধি গুণ অনেক। কৃষি কর্মকর্তারা জানান, বাতজ্বর চিকিৎসায় শজনে ব্যবহৃত হয়। পোকামাকড়ের কামড়ে অ্যান্টিসেপটিকের কাজ করে এর পাতার রস। হৃদরোগ, রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধি, শ্বেতী, টাইফয়েড, প্যারালাইসিস, লিভার, ত ও চোখের রোগ প্রতিরোধ করে। শজনের বাকল, শেকড়, ফুল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ওষুধিগুণ আছে। যশোর হর্টিকালচার সেন্টার সূত্রে জানা গেছে,বসতবাড়ির আঙিনা ও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সবজি েেত এই শজনে চাষ করা যাবে। বিদেশ থেকে আনা‘পিকেএম-২’ জাতের এই শজনের চারা কৃষি কাবের সদস্য ও প্রাকৃতিক দুর্যোগকবলিত এলাকার কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণ শুরু হয়েছে। যশোর সেন্টারে বর্তমানে দুই হাজার চারা আছে। আরো পাঁচ হাজার চারা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

১০টি কাযর্করী ওসহজ মার্কেটিং টিপস

১। আপনার কার্ড বা ব্রাউচার বিভিন্ন কফি শপ, রেস্টুরেন্ট, বইয়ের দোকান, ব্যবসায়ী, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, ক্লাব ইত্যাদিতে সরবরাহ করুন। এই কাজের জন্য ১ বা ২ জন কর্মচারী নিয়োগ করতে পারেন।
২। যেকোন মেলা, অফার বা কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করুন, যাতে লোকজন আকৃষ্ট হয়। বিশিষ্ট লোকদের (আপনার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত) দাওয়াত দিন।

৩।  নেটওয়ার্কিং করুন। সুযোগ পেলেই আপনার কাজে দেবে এরকম ট্রেনিং, মিটিং বা প্রেসে অংশগ্রহন করুন। মেলা পরিদর্শন করুন। ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলুন, সখ্যতা গড়ে তুলুন।

৪। আপনার বিক্রয় বার্তা, কোম্পানীর নাম সব জায়গায় ছড়িয়ে দিন। হতে পারে লোগো, গাড়ি, শার্ট, ট্যাগ, বিল্ডিং, ইনভয়েস, খাম, রিসিপ্ট ইত্যাদি।

৫। সেবা বা পন্যের ট্রেডিং প্রোমেশনের জন্য অন্য সব ব্যবসায়ীদের আহবান করুন, পরিচিত হোন। আপনার পন্যের সাথে মার্কেটিং এ্যাডভার্টাইজিং, প্রোমেশন, অফার, প্রিন্ট, চিন্হ, পন্য বা সেবা বিনামূল্যে অফার করুন।

৬। আপনার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত অন্য সব ব্যবসায়ীদের নিকট আপনার ব্যবসা পরিচিত করে তুলুন। এক্ষেত্রে পত্রিকা, চিঠি, মেইল বা সরাসরি কথা বলা যায়।

৭। আপনার ওয়েবসাইট সকল স্থানীয় ডাইরেক্টরীতে লিপিবদ্ধ আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।

৮। আপনার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত এরকম সকল ওয়েবসাইটকে আপনি লিংক বিনিময়ের অফার করুন। সুনির্দিষ্ট ও কাজের ভিজিটর পেতে এটা খুব ভালো।

৯। প্রত্যেকের সাথে বারংবার আলাপ করুন, কিভাবে এক সাথে ব্যবসা পরিচালনা বা ব্যবসা উন্নয়ণ করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করুন। একে অন্যের সাহায্য নিন।

১০। সবসময় নিজের মনের মত মার্কেটিং বা এ্যাডভার্টাইজিং করবেন না। নিজের ভাবুন একজন ক্রেতা হিসেবে। ক্রেতা হিসেবে আপনি কি কি সুবিধা পেতে চান এ ব্যাপারে চিন্তা করে বিজ্ঞাপন দিন।

কিভাবে সফল হবেন?

সফল হবার জন্য অন্যের মত নয়, নিজের মত হোন…
ইস…! “যদি অমন সুন্দর হতাম আমি” “আরও একটু যদি লম্বা হতাম” , “অমন সুন্দর দেহ যদি আমার থাকতো” “আমারও যদি অমন একটা কিছু থাকতো” হায়…! আপনার এমন সব আকাঙ্ক্ষার নামই মনস্তাত্ত্বিক হতাশা।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষের জীবনটাই কেটে যায় এমন সব হতাশামুলক আচরণ আর চিন্তাধারায়।
মানুষের শ্রেষ্ঠ হবার আকাঙ্ক্ষাটা চিরন্তন। বরাবরই মানুষ চেয়েছে অন্যের থেকে নিজেকে শ্রেষ্ঠতম স্থানে নিয়ে যেতে। অথচ মানুষ জানেই না, অন্যকে পিছনে ফেলে নিজেকে এগিয়ে যাবার বাসনা বস্তুত নিজেকেই ছোট করে।
সম্পূর্ণ নিশ্চিত থাকতে পারেন, আরেকজনকে হারিয়ে আপনি কোনওদিন সফল হতে পারবেন না। বরং আপনি আপনার মতো থেকে আপনার জায়গাতেই কেমন করে উন্নতি করবেন, সে চেষ্টাই যদি করেন দেখবেন আপনার সাফল্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। সফল ব্যক্তিদের কাহিনী পড়েন, দেখবেন তারা কেউই অন্যকে হারাতে চাননি, বরং তারা নিজেদের জায়গায় থেকে জিততে চেয়েছেন।
হতে পারে আপনি সুদর্শন নয়, কিন্তু তাতে কি? আপনি তো আপনার বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যামণ্ডিত। আপনার ভেতরেই এমন সব গুণ রয়েছে যা অন্য যে কোনো মানুষের ভেতরে নেই।
লম্বায় একটু খাটো হয়েছেন বলে যে হতাশার সীমা থাকবে না এমনটি নয়। আপনার শারীরিক দৈর্ঘ্য আপনাকে সফল করবে না, বরং আপনার মস্তিষ্কের প্রখরতার দৈর্ঘ্য আপনাকে সাফল্যমণ্ডিত করে তুলবে।
এখানে আবার মনে রাখা প্রয়োজন, মস্তিষ্ক আর মেধা দুটো আলাদা জিনিস। মস্তিষ্ক আপনাকে সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করার পথ দেখাবে আর মেধা আপনার কাজের ক্ষেত্রে সহায়ক ভুমিকা পালন করবে। সফল ব্যক্তিদের অনেকেই খুব কম মেধাসম্পন্ন ছিলেন, বরং তারা ছিলেন উর্বর মস্তিষ্কের পরিশ্রমী ব্যক্তি, যার কারণে সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করে তারা আজ সফল।
আপনার যা কিছু নেই তা নিয়ে আপনি হতাশায় ভুগবেন না বরং যা আছে তাই নিয়েই উন্নতি করার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন-একই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি আমরা। তিনি নিজেই আমাদেরকে এক এক রকমের অনুদান দিয়ে আমাদেরকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। সৃষ্টিকর্তা আপনার পাশের মানুষটিকে সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী করেছেন, তিনি পারলে আপনাকেও সমপরিমাণ স্বাস্থ্য বা ঐশ্বর্যের মালিক করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি, কারণ সৃষ্টিকর্তা ভালো করেই জানেন কার কিসে মঙ্গল। কেননা মঙ্গলটা তো তারই সৃষ্টি।
কারও হয়তো অঢেল সম্পত্তি আছে, মনে হতে পারে অমন সম্পদ আপনার থাকলে আপনিও কিছু করে দেখাতে পারতেন। কিন্তু সত্যিই যদি ব্যাপারটা তাই হতো, তাহলে যিনি সম্পত্তির মালিক তিনি নিজেও অনেক আগেই সফল ব্যাক্তিত্ব হতে পারতেন। একটু খেয়াল করে দেখুন, অঢেল সম্পদ থাকলেও সেই মানুষটি মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারেননি। ঠিক এমনি ভাবেই একই কথা সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
সুতরাং নিজের মনের এমন দুশ্চিন্তা দূর করে ফেলুন। অহেতুক হতাশা আপনাকে শুধু অন্যের ব্যাপারে ভাবিয়ে নিজের ব্যাপারে উদাসীন করে দিবে। এর থেকে বরং নিজের ব্যাপারে ভেবে, নিজের সম্পদ আর সম্বলটুকু নিয়ে সে অনুপাতে কাজ করে যান।
মনে রাখবেন, অন্যের যা কিছু আছে তা নিয়ে ভেবে শুধু শুধু নিজে কষ্ট পাবেন কিন্তু তাতে কোন দিনও ভাগ পাবেন না। তাই অন্যের ব্যাপারে পার্থক্য করে নিজে নিজে কষ্ট না পেয়ে আপনি আপনার জায়গায় থেকে সফল হবার চেষ্টা করুন। দেখবেন, যাদের সুযোগ ছিল ভালো কিছু করার, যাদেরকে দেখে আপনি আফসোস করেছেন, একদিন তারাই আপনার সফলতার ভারে নুয়ে পড়বে।
লেখক:
মাহবুবা খাতুন।
পপুলার মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা।

কিভাবে সফল হবেন

সফল হবার জন্য অন্যের মত নয়, নিজের মত হোন…
ইস…! “যদি অমন সুন্দর হতাম আমি” “আরও একটু যদি লম্বা হতাম” , “অমন সুন্দর দেহ যদি আমার থাকতো” “আমারও যদি অমন একটা কিছু থাকতো” হায়…! আপনার এমন সব আকাঙ্ক্ষার নামই মনস্তাত্ত্বিক হতাশা।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষের জীবনটাই কেটে যায় এমন সব হতাশামুলক আচরণ আর চিন্তাধারায়।
মানুষের শ্রেষ্ঠ হবার আকাঙ্ক্ষাটা চিরন্তন। বরাবরই মানুষ চেয়েছে অন্যের থেকে নিজেকে শ্রেষ্ঠতম স্থানে নিয়ে যেতে। অথচ মানুষ জানেই না, অন্যকে পিছনে ফেলে নিজেকে এগিয়ে যাবার বাসনা বস্তুত নিজেকেই ছোট করে।
সম্পূর্ণ নিশ্চিত থাকতে পারেন, আরেকজনকে হারিয়ে আপনি কোনওদিন সফল হতে পারবেন না। বরং আপনি আপনার মতো থেকে আপনার জায়গাতেই কেমন করে উন্নতি করবেন, সে চেষ্টাই যদি করেন দেখবেন আপনার সাফল্য দিন দিন বেড়েই চলেছে। সফল ব্যক্তিদের কাহিনী পড়েন, দেখবেন তারা কেউই অন্যকে হারাতে চাননি, বরং তারা নিজেদের জায়গায় থেকে জিততে চেয়েছেন।
হতে পারে আপনি সুদর্শন নয়, কিন্তু তাতে কি? আপনি তো আপনার বৈশিষ্ট্যে বৈশিষ্ট্যামণ্ডিত। আপনার ভেতরেই এমন সব গুণ রয়েছে যা অন্য যে কোনো মানুষের ভেতরে নেই।
লম্বায় একটু খাটো হয়েছেন বলে যে হতাশার সীমা থাকবে না এমনটি নয়। আপনার শারীরিক দৈর্ঘ্য আপনাকে সফল করবে না, বরং আপনার মস্তিষ্কের প্রখরতার দৈর্ঘ্য আপনাকে সাফল্যমণ্ডিত করে তুলবে।
এখানে আবার মনে রাখা প্রয়োজন, মস্তিষ্ক আর মেধা দুটো আলাদা জিনিস। মস্তিষ্ক আপনাকে সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করার পথ দেখাবে আর মেধা আপনার কাজের ক্ষেত্রে সহায়ক ভুমিকা পালন করবে। সফল ব্যক্তিদের অনেকেই খুব কম মেধাসম্পন্ন ছিলেন, বরং তারা ছিলেন উর্বর মস্তিষ্কের পরিশ্রমী ব্যক্তি, যার কারণে সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করে তারা আজ সফল।
আপনার যা কিছু নেই তা নিয়ে আপনি হতাশায় ভুগবেন না বরং যা আছে তাই নিয়েই উন্নতি করার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন-একই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি আমরা। তিনি নিজেই আমাদেরকে এক এক রকমের অনুদান দিয়ে আমাদেরকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। সৃষ্টিকর্তা আপনার পাশের মানুষটিকে সুন্দর স্বাস্থ্যের অধিকারী করেছেন, তিনি পারলে আপনাকেও সমপরিমাণ স্বাস্থ্য বা ঐশ্বর্যের মালিক করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি, কারণ সৃষ্টিকর্তা ভালো করেই জানেন কার কিসে মঙ্গল। কেননা মঙ্গলটা তো তারই সৃষ্টি।
কারও হয়তো অঢেল সম্পত্তি আছে, মনে হতে পারে অমন সম্পদ আপনার থাকলে আপনিও কিছু করে দেখাতে পারতেন। কিন্তু সত্যিই যদি ব্যাপারটা তাই হতো, তাহলে যিনি সম্পত্তির মালিক তিনি নিজেও অনেক আগেই সফল ব্যাক্তিত্ব হতে পারতেন। একটু খেয়াল করে দেখুন, অঢেল সম্পদ থাকলেও সেই মানুষটি মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করতে পারেননি। ঠিক এমনি ভাবেই একই কথা সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
সুতরাং নিজের মনের এমন দুশ্চিন্তা দূর করে ফেলুন। অহেতুক হতাশা আপনাকে শুধু অন্যের ব্যাপারে ভাবিয়ে নিজের ব্যাপারে উদাসীন করে দিবে। এর থেকে বরং নিজের ব্যাপারে ভেবে, নিজের সম্পদ আর সম্বলটুকু নিয়ে সে অনুপাতে কাজ করে যান।
মনে রাখবেন, অন্যের যা কিছু আছে তা নিয়ে ভেবে শুধু শুধু নিজে কষ্ট পাবেন কিন্তু তাতে কোন দিনও ভাগ পাবেন না। তাই অন্যের ব্যাপারে পার্থক্য করে নিজে নিজে কষ্ট না পেয়ে আপনি আপনার জায়গায় থেকে সফল হবার চেষ্টা করুন। দেখবেন, যাদের সুযোগ ছিল ভালো কিছু করার, যাদেরকে দেখে আপনি আফসোস করেছেন, একদিন তারাই আপনার সফলতার ভারে নুয়ে পড়বে।
লেখক:
মাহবুবা খাতুন।
পপুলার মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা।

Sunday, September 18, 2016

নিজেই স্বাবলম্বী হোন

রাজধানীর ধানমন্ডি ৭/এ এর একটি গলিতে ‘ড্রিম ভ্যান’- এ করে বিভিন্ন রকম লেডিস ও জেন্টস পণ্য ফেরি করে বিক্রি করছেন এক যুবক। দেখতে বেশ হ্যান্ডসাম বলে প্রথম দর্শনে তাকে ফেরিওয়ালা মনে হবে না কারোরই। হাতে দামি ক্যামেরা, কানে হেডফোন, পায়ে দামি জুতা, পরনে জিন্সের প্যান্ট ও সাদা পাঞ্জাবী দেয় আরও আভিজাত্যের পরিচয়।
কাছে গিয়ে জানা গেল পরিচয়, নাম তাজুল ইসলাম (২৯)। পরিবার ও বন্ধুরা ডাকেন লিখন নামে। ফরিদপুর শহরে জন্ম। এখন থাকেন মোহাম্মদপুরে।
২০০৯ সালে মা রওশন আরা বেগম মারা যাওয়ার পর একা হয়ে পড়েন তিনি। তার আগে নিজের দুই বছর বয়সেই বাবা নুরুল ইসলামকে হারান লিখন। পরিবারের অন্য সদস্যরা সবাই উচ্চবিত্ত শ্রেণির।
লিখন রাজধানীর একটি কলেজে ডিপ্লোমা পড়া অবস্থায় ২০১১ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাড়ি জমান। ৫ বছর পরে দেশে ফেরেন। এরপর উদ্বোধন করেন ফেরি করার বাহন ‘ড্রিম ভ্যান’ এর।
দুই মাস ধরে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে কলেজ ব্যাগ, মানিব্যাগ, বেল্ট, সানগ্লাস, স্যান্ডেল, টি-শার্ট ও ক্যাপ বিক্রি করছেন। আছে দামি ও অভিজাত ক্যাকটাসও। এই ভ্যান কিনতে তার খরচ হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। আর পণ্য রয়েছে ১৫ হাজার টাকার মতো।
লিখন জানান, এই ৩০ হাজার টাকা পুঁজির ব্যবসায় প্রতিদিনের খরচ চলে যায় ‍তার। শিক্ষিত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের ছেলে হয়েও তিনি জীবিকার্জনের জন্য এই কাজকে বেছে নিতে কুণ্ঠাবোধ করেননি।
লিখন বলছিলেন, আমার কাছে কোনো কাজই ছোট নয়। সব কাজই মহান। কাজ সবসময় কাজই। কাজের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকা উচিত নয়। কাজকে নানা শ্রেণি ও খাতে ভাগ করার জন্যই আজকে বেকারত্ব বাড়ছে।
তিনি বলেন, আমার অনেক শিক্ষিত ভাইয়েরা পছন্দ মতো কাজ না পেয়ে বেঁচে থাকার জন্যই অসৎ পথ বেছে নেন। কিন্তু আমাদের উচিত সব কাজকে সমান চোখে দেখা। আমি মনে করি মন্ত্রী ও বাদাম বিক্রেতার কাজের মধ্যে কোনো তফাৎ থাকা উচিত নয়।
‘বেকার যুবক ভাইদের লাজ-লজ্জা ভেঙে দেওয়ার জন্যই আমি এই কাজ বেছে নিয়েছি। সামনে ইচ্ছে আছে লুঙ্গি পরে রিকশা চালাবো। এরপরই ফেরি করে বাদাম বিক্রি শুরু করবো।’
কোরিয়ায় উপার্জিত অর্থ দিয়ে ঢাকা শহরে দু’টি প্লট কিনেছেন। এরমধ্যে একটি আবার অভিজাত এলাকা বসুন্ধরা রিভার ভিউতে। কক্সবাজারের ওশান গার্লের অষ্টম তলায় কোটি টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাটও আছে তার। বাবা মারা যাওয়ার পর নানা বাড়িতেই মামা-খালাদের আদরে বড় হন লিখন। পরিবারের সবাই উচ্চবিত্ত। এরপরও ফেরিয়ালার ব্যবসায় কোনো বাধা আসে না লিখনের।
লিখন বলেন, আমার পরিবারের সব সদস্যই আল্লাহর রহমতে ভালো অবস্থানে আছেন। সবাই আমাকে সাপোর্ট দেন, বাধা দেন না। আমার দেখাদেখি সব বেকার যুবক সব ধরনের কাজ বেছে নিলেই আমি হ্যাপি। তাহলে সমাজ থেকে চুরি, পকেটমার, রাহাজানি ও ছিনতাই উঠে যাবে।
এই হ্যান্ডসাম ফেরিওয়ালা বলেন, আমরা যখন বিদেশ যাই, তখন সব ধরনের কাজ করতে পারি। কিন্তু নিজের দেশে থেকে কেন পারবো না? দেশে কাজের মর্যাদা ও ভেদাভেদ যেদিন উঠে যাবে, সেদিনই আমাদের দেশটা আরও সামনে এগিয়ে যাবে। কাজের নানা ভেদাভেদ থাকার কারণে আমাদের সমাজে শিক্ষিত ভাইয়েরা আজকে বেকার।
বেকারত্ব লিখনকে পীড়া দেয়। সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে হারে উচ্চ ডিগ্রি নিয়ে বের হচ্ছে যুবক শ্রেণি, সেই হারে কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে না। তাই আমাদের উচিত সব ধরনের কাজে মনোনিবেশ করা ও দেশটাকে সুন্দরমতো গড়া।

মুরগি পালনের পদ্ধতি

অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতা ব্যতিত জুম্মদের মুক্তি অসম্ভব।এখন সময় হয়েছে উতপাদন মুখি প্রকল্পে হাত দেওয়ার।সমাজ পরিবর্তনের আশা নিয়ে আমরা আমাদের গ্রামে গড়ে তুলেছিলাম একটা ক্লাব।আশা গ্রামের একটা শিশুও যেন আর নষ্ট না হয়। কিনতু কয়েক বছরের মধ্যেই বুঝা গেল এত সহজ নয় একটা সমাজ পরিবর্তন।এই কয় বছরের মধ্যেই সদস্য সদস্যাদেরও (সবাই নয়) মনে হল দম কমে গেছে অনেক্ষানি।এমন নয় যে তাদের স্বদিচ্ছা হ্রাস পাচ্ছে। যতই বয়স বাড়ে আমরা ততই চাপে পড়তে থাকি। এরই পেক্ষাপটে কি করা যায় তা ভাবতে ভাবতেই আমরা কয়েকজন বনধু মিলে ঠিক করেছি একটা মুরগীর খামার করার।
আমাদের আগ্রহ লেয়ার মুরগীর খামারে।তবে লেয়ার মুরগীর খামারের প্রধান সমস্যা হচ্ছে দীর্ঘ মেয়াদী খাবারের যোগান দেয়া।যা কম পুঁজির উদ্দোক্তাদের প্রদান সমস্যা। আর বাজারে রেডিমেড মুরগীর খাবারের দাম প্রচুর।নেট ঘাটাঘাটি করতে করতে এর একটা যুতসই সমাধানও অবশ্য পাওয়া গেছে। এই খাদ্য আমরা চাইলেই নিজেরাই ঘরেই তৈরি করতে পারি।আর এক্ষেত্রে আমাদের সুবিধা হচ্ছে আমাদের গ্রামে বানিজ্যিক ভাবে প্রচুর পরিমানে ভূট্টার চাষ হচ্ছে। যা মুরগীর খাদ্যের অন্যতম প্রধান উপাদান।নিচে ১০০ কেজি ওজনের বিভিন্ন উপাদান গুলোর একটা তালিকা দিলামঃ
গম/ভুট্টা ভাঙ্গা/চালের খুদ =৪০ কেজি,
গমের ভূষি = ৫ কেজি,
চালের কুড়া= ২৫ কেজি,
তিলের খৈল =১২ কেজি,
শুটকি মাছের গুড়া= ১০ কেজি,
ঝিনুকের গুড়া =৭.৫ কেজি,
লবন = .৫ কেজি,
মোট = ১০০ কেজি।
উপরোক্ত সব উপাদান প্রায় সবই হাতের নাগালেই পাওয়া যাবে।ফলে ব্যয়টা অনেক্ষানি হ্রাস করা সম্ভব হবে।
তবে এসব বাদেও আরো অনেক সমস্যা আছে তার মধ্যে প্রধান সমস্যা হচ্ছে বাচ্চার দাম। আজ একটা বাচ্চা বিক্রির দোকানে কল দিয়ে জানতে পারলাম লেয়ার মুরগীর বাচ্চার দাম ১০০ আর ব্রয়লার বাচ্চার দাম ৬৫ টাকা।এই দামে বাচ্চা কিনে তেমন কিছুই লাভ করা যাবে না।মূলত এই দামটা ফাইনাল না হলেও বাচ্চার দাম খুব একটা কমও নয়।
তাই লাভ করতে হলে আজ না হলে কাল নিজস্ব ভাবে বাচ্চা উতপাদনে যেতেই হবে।তবে বাচ্চা উতপাদন যে খুব একটা কঠিন তাও না।বর্তমানে দেশীয় ভাবেই মাসে ৫০০০ বাচ্চা উতপাদনে সক্ষম একটা ইনকিউবেটর লাখ খানেক টাকা খরচেই পাওয়া যায়।
কার্টেসি- #নিউটন চাকমা

বড় ব্যাবসায়ী হতে হলে দালালী হোন....

বড় ব্যবসায়ী হয়ে হলে দালালী হোন আগে.....
আমরা নিজেকে লুকিয়ে রাখতে অনেকেই পছন্দ করি। কিন্তু তা আপনার ব্যবসার জন্য কতটা ক্ষতিকর তা কি ভেবে দেখেছেন? এ বিষয়ে কিছু কথা বলার চেষ্টা করব যা আপনাদের ব্যবসার প্রসারে কাজে আসবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। আমন্ত্রন জানাচ্ছি আমি মাসুদুর রহমান মাসুদ আপনাদের সকলকে আমাদের সাথে থাকার জন্য।
আমরা আমাদের ব্যবসা সম্পর্কে অন্যদের জানাতে অনেকেই অনুৎসাহিত। কিন্তু কেন? আমাদের চিন্তা ধারনা যদি এব্যবসা সম্পর্কে অন্যকেউ জানে তো ব্যবসা আগের মত থাকবে না। প্রতিযোগী বাড়বে ব্যবসার অবস্থা মন্দা হয়ে যাবে। অথচ একটা ব্যবসায় যখন প্রচার প্রসার বাড়ে তখন নতুন নতুন সুযোগ বৃদ্ধি পায়। দেশের বাজার ছেড়ে বিদেশের বাজারেও প্রসারিত হয় ব্যবসার পরিধি।এক যুগ পেছনে ফিরে তাকান। গার্মেন্টস শিল্পের ব্যবসার কি অবস্থান ছিল আমাদের। আর এখন তা কতটা বিস্তৃত পর্যায়ে আছে তা আপনার আমার চোখের সামনেই। দেশের ভিতরে যে সকল প্রতিষ্ঠান পোশাক বাজারজাত করছিল তাদের অবস্থানও কি কোনটার খারাপ। মানুষ বেড়েছে। নতুন নতুন ফ্যাশনের সাথে পরিচিত হয়েছে। বেড়েছে তাদের যোগাযোগের দক্ষতাও।
মানুষ এখন নিজেকে যেমন ফুটিয়ে তুলতে চায় তেমনি ব্যবসায়কে ফুটাতেও প্রচেষ্টা কম নয়। আপনার ব্যবসায়কে ফুটিয়ে তুলতে হলে ‍আপনাকে ব্যবসা সাজাতে হবে। জানাতে হবে আপনার কি আছে। আপনার মাঝে কি বিশেষত্ব আছে। আপনার কাছে কি আছে যা অন্যদের সবার থেকেও আলাদা অথবা বেশী। আর তার জন্য যোগাযোগ তো বাড়াতেই হবে আপনাকে।
মহাখালী কিংবা গাবতলী বাসষ্টান্ডে গিয়ে দাড়ান। একশ্রেনীর মানুষ আছে যারা আপনাকে বাসের টিকিট পেতে সাহায্য করবে বিশ থেকে পঞ্চাশ টাকা অতিরিক্ত নিয়ে। আমরা এ শ্রেনীর মানুষকে চিনি দালাল নামে। দুঃখিত দালাল শব্দটা হয়ত আমরা অনেকেই অনেক ভাবে নিয়ে থাকি। বিশেষ করে তেরো চৌদ্দ বছরের যারা আছেন শব্দটা শোনার সাথেই ভেবে নেন। যাই হোক আমার কেন্দ্র বিন্দু সেদিকে নয়। উন্নত বিশ্বে দালালদের একটা সম্মানজনক পরিচিতি আছে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট যদিও ভিন্ন।
একটি কথা এখন বলব আপনাদের। কথাটি শোনার সাথে সাথে আতকে উঠতে পারেন অনেকেই। যদি জীবনে বড় ব্যবসায়ী হতে চান তবে দালাল হোন। এবার আসুন বাসষ্টান্ডের ওই দালালদের কাতারে একটু দাড়াই। অপরিচিত একটা মানুষের কাছে গিয়ে কত সহজেই তার সাথে কথা বলে। একটু খানি আলাপচারিতায় আপন হয়ে তার উদ্দেশ্য সাধন করে। টিকেটটি ধরিয়ে দিয়ে আপনার পকেট থেকে টাকা তুলে নেয়। আপনিও তাকে হাসি মুখে বিদায় দিতে ভুল করেন না।
আপনি যে স্থানে যাবেন সেখানে কোন বাস কখন ছাড়বে তা আপনি না জানলেও দালাল ঠিকই জানে। তার কাছে সব তথ্যই আপডেট পাবেন কোন বাস কখন কোন রুটে ছেড়ে যায়। আপনি ব্যবসা করছেন অথচ আপনার অন্যের সাথে যোগাযোগ ভাল নয়। থাকলেও তা শক্তিশালী কিংবা স্থায়ীও নয়। আপনার প্রতিযোগীরা বাজারে কি আনছে সে আপডেটও আপনার কাছে থাকে না। তাহলে কি ভাবে আপনার ব্যবসার প্রসারের আশা করেন। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে যার যোগাযোগ যত ভাল তার এগিয়ে যাওয়া তত সহজ হয়ে গিয়েছে। তাহলে আপনি কেন পিছিয়ে?
আপনাদের অবগতির জন্য বলছি একটা সেক্টর এর কথা। যাদের প্রকৃত ব্যবসায়ই হল দালালী। সকল ধরনের ব্যাকিং ববসায় দালালী ব্যবসা। অবাক হলেন? ব্যাংক আপনার অর্থের জিম্মাদার, আপনার সম্পদের রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে কিংবা আপনারই প্রতিনিধি হয়ে কাজ করে দালালীর অর্থ চার্জ করে। বুঝতে অসুবিধা না হলে একটু ট্রাই করেন আপনার ব্যবসার প্রসার হতেই হবে। যদি আপনি তা সঠিক ভাবে করতে পারেন….
আপনাদের সকলের জন্য শুভ কামনা রাখছি। সেই সাথে আপনার বন্ধুকে পেইজে ইনভাইট করার জন্য আশা রাখছি। আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে পেইজে লাইক দিতে ভুল করবেন না কিন্তু। লিখাটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন…….
কার্টিসী----Sabiran Chakma

বিচক্ষন ও সফল উদ্যোগতাদের ১০টি ভালো অভ্যাস।


১. সূর্যোদয়ের আগে দিনের কাজ শুরু করুন
বিচক্ষণ উদ্যোক্তা ও সফল ব্যক্তিদের অন্যতম অভ্যাস হলো ভোরে ঘুম থেকে ওঠা। এটা শুধু আপনার স্বাস্থ্যেরই উপকার করবে না বরং একটা ভালো সকাল একটি উৎপাদনশীল দিনের জন্ম দেবে। নিচে বর্তমান সময়ের কিছু সফল ব্যক্তিদের ঘুম থেকে ওঠার সময় দেওয়া হলো;
প্রেসিডেন্ট ওবামা—সকাল ৬টা ৪৫ মিনিট।
ডেভিড ক্যামেরন—সকাল ৬টা।
স্টারবাকস সিইও হাওয়ার্ড শুলজ—ভোর ৪টা ১৫ মিনিট।
অ্যাপল সিইও টিম কুক—ভোর ৩টা ৪৫ মিনিট।
জেনারেল মোটরস সিইও মেরি বাররা—সকাল ৬টা।
এওএল সিইও টিম আর্মস্ট্রং—ভোর ৫টা।
জেরক্স সিইও উরসুলা বার্নস—ভোর ৫টা।
জিই সিইও জেফ ইমেল্ট—সকাল ৫টা ৪৫ মিনিট।
পেপসিকো সিইও ইন্দ্রা নুই—ভোর ৪টা।
ক্রাইসলার সিইও এস মারছিওনি—ভোর ৩টা ৩০ মিনিট।
রিচার্ড ব্র্যানসন—সকাল ৫টা ৪৫ মিনিট।
ভার্জিন আমেরিকা সিইও ডেভিড কুশ—ভোর ৪টা ১৫ মিনিট।
ডিজনি সিইও বব—ভোর ৪টা ৩০ মিনিট।
মিশেল ওবামা—ভোর ৪টা ৩০ মিনিট।
আপনি যদি উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হতে চান তবে তবে দিন শুরুর সময়টা এখনই ঠিক করে নিন। এটা আপনার ব্যক্তিগত ও পেশাদারি জীবনের জন্য জরুরি।
পেপসিকো সিইও ইন্দ্রা নুই। সংগৃহীত২. প্রতিদিন নিয়ম করে বই পড়া
বিচক্ষণ উদ্যোক্তা ও সফল ব্যক্তিদের আরেকটি অন্যতম অভ্যাস হলো নিয়মিত বই পড়া। তবে বইগুলো গল্প-কবিতার বই না হয়ে প্রাসঙ্গিক বই হওয়া চাই। আপনি যে কাজে বা ব্যবসায় নিয়োজিত তাতে যদি আপনার গভীর জ্ঞান থাকে তা আপনাকে ওপরের উঠতে সাহায্য করবে। বর্তমান সময়ের বিল গেটস, মার্ক জাকারবার্গ থেকে শুরু করে প্রায় সব সফল ব্যক্তিদের এটি নিয়মিত অভ্যাস। উদ্যোক্তাদের বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে অন্য একটি পোস্ট লিখব। তবে এখানে একজন বাঙালি সফল উদ্যোক্তার কথা বলে শেষ করি। তিনি হলেন রুসেল সরদার। আইটি ট্রেনিং কোম্পানি NetCom Learning-এর কর্ণধার। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সফল আইটি ট্রেনিং কোম্পানি, যাদের সেলস ১০ মিলিয়ন ডলারেরও ওপরে। তিনি বলেন, ব্যবসা নিয়ে যত ব্যস্ত থাকেন না কেন, প্রতিদিন নিয়ম করে বই পড়েন। সপ্তাহের কাজের দিনগুলো ১-২ ঘণ্টা এবং বন্ধের দিনগুলো ৮-১০ ঘণ্টা তিনি বই পড়েন।
তার সুপারিশকৃত তিনটি বই, The Five Dysfunctions of a Team-এই বইটি তার দলকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে কাজ করার পরিচালনা সাহায্য করেছে। The Four Kinds of Sales People-এই বইটি তাকে তার বিক্রয় প্রতিনিধি থেকে খারাপ লোকদের বাদ দিতে সাহায্য করেছে। Good to Great-এই বইটি তার কোম্পানি পরিচালনার চিন্তাগুলোকে যাচাই করতে সাহায্য করেছে।
৩. নিজের লক্ষ্য ঠিক করুন
নিজের লক্ষ্য ঠিক করাকে প্রতিদিনের কর্তব্য মনে করুন। প্রতিদিনে, মাসে, বছরে, এমনকি এক দশকে আপনি কী অর্জন করতে চান তা লিখে ফেলুন। এমনটি আপনাকে মানসিকভাবে এগিয়ে রাখবে ও বড় কিছু চিন্তা করতে সাহায্য করবে যার মাধ্যমে আপনি ছোট সমস্যাগুলো সমাধান করতে পারবেন। আপনি যদি লক্ষ্য অর্জন করতে চান, তবে আপনার লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ কিছু আকাঙ্ক্ষা লিপিবদ্ধ করুন। যেমন পরবর্তী ১০ বছরে আপনার একটি ভালো বাড়ি, একটি ভালো গাড়ি, ব্যক্তিগত সহকারী থাকবে। যদি এমন ধারণাগুলো আপনার মধ্যে নিয়ে আসতে পারেন তবে এটা আপনাকে আপনার জীবনের গতি সম্পর্কে উজ্জীবিত করবে। যদি পরবর্তী ১০ বছরের জীবনকে আপনি এখন দেখতে পারেন, তবে আপনি সেটা করতে পারবেন।
৪. পরিকল্পনা করুন
আপনি সীমাহীন লক্ষ্য ঠিক করতে পারেন কিন্তু আপনাকে সে লক্ষ্যগুলো অর্জনের জন্য পরিকল্পনা করতে হবে। আপনার ১০ বছরের লক্ষ্যগুলোকে আপনি বছর, মাস ও দিনে ভাগ করে নিন। যখন লক্ষ্যগুলো ছোট ছোট ভাগে ভাগ হবে তখন সেগুলো অর্জন করার জন্য কর্মপন্থা ঠিক করুন। মনে রাখবেন আপনার কর্মপন্থা যেন আপনার কাজের ফলাফলের ওপর দায়িত্ববান করে।
ধরুন কেউ পেশাধারী বক্তা হতে চান। যদিও সে জানে না তার জন্য কীভাবে পরিকল্পনা করবে। সুতরাং আমাকে বলতে হবে, তার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করার জন্য। যদি সে বছরে ১২০টি বক্তৃতা দেয় তবে সে তার লক্ষ্যে পৌঁছাবে। যদি বছরে ১২০টি হয়, তবে মাসিক লক্ষ্য ১০টি, তার মানে প্রতি তিন দিনে তাকে একটি বক্তৃতা করতে হবে। পরিকল্পনা করার পর মনে হবে এটা সহজে অর্জনযোগ্য। সুতরাং আপনার কাজের পরিকল্পনা করুন, পরিকল্পনার ওপর কাজ করুন।
এওএল সিইও টিম আর্মস্ট্রং। সংগৃহীত৫. নেটওয়ার্ক স্থাপন করা
এই সময় নেটওয়ার্কের জন্য অনেক পথ রয়েছে, বিশেষভাবে তথ্য প্রযুক্তি এ কাজটিকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। একজন সফল নেটওয়ার্ককারী হতে হলে আপনাকে উৎপাদক হতে হবে, ভোক্তা নয়। তার মানে হলো, আপনাকে সক্রিয় হতে হবে, নিষ্ক্রিয় নয়। কারও কল বা ইমেইল জন্য অপেক্ষা না করে আপনি তাদের কল করুন, ইমেইল না হয় টেক্সট করুন। নেটওয়াকিংয়ের জন্য ১০ নিয়ম ব্যবহার করুন। প্রতিদিন দশজনকে আপনার ব্যবসা, পণ্য বা সেবা সম্পর্কে ১০ জনকে জানান, ১০ জনের সঙ্গে দেখা করুন, ১০ জনের কাছে বিক্রি করুন। এ জন্য তাদের কল করুন, ইমেইল করুন অথবা মেসেজ দেবেন।
৬. প্রতিদিন নোট লিখুন
প্রত্যেকেরই চিন্তা করার জন্য সময়ের প্রয়োজন। ফলপ্রসূ চিন্তার জন্য আপনাকে নোট রাখতে হবে। এ ছাড়া যখনই কোনো ভালো চিন্তা বা কৌশল মনে আসে তখনই তা নোট করুন। এটা অনেকটা ডায়েরি লেখার মতো। এটা আপনাকে সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর তথা দৈনন্দিন বিষয়গুলোর ওপর সজাগ রাখবে এবং সময়ে সময়ে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোর ওপর প্রতিফলন করতে সাহায্য করবে। একটা সময় আপনি যখন আপনার ডায়েরিতে ফিরে তাকাবেন তখন এটা আপনাকে আপনার অতীত জীবনযাত্রা সম্পর্কে অভিভূত করবে। সবচেয়ে বড় কথা, আপনি পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কিছু নোট রেখে গেলেন।
৭. দৈনিক ব্যায়াম করুন
সফল হওয়ার জন্য আপনার শরীরকে অবশ্য সর্বোচ্চ পরিশ্রম করতে হবে। আপনার মন আপনার শরীরকে প্রতিদিন কিছু অসাধারণ করার জন্য বলবে এবং আপনাকে অবশ্য তার জন্য তৈরি হতে হবে। আর আপনার শরীরকে তৈরির উত্তম উপায় হলো ব্যায়াম। যখন আপনার শরীর সুযোগের জন্য তৈরি হবে তবে আপনি সফলতার সাগর পাড়ি দিতে সমর্থ হবেন। প্রতিদিন নিয়ম করে দৌড়ান, নিয়ম করে (৩-৫ দিন সপ্তাহে এক ঘণ্টা করে) ব্যায়ামাগারে যান। এমনটি আপনাকে শুধু কাজের জন্য অভূতপূর্ব সহনশীলই করে তুলবে না বরং দিন শেষ হওয়ার পূর্বেই সকল কাজ সমাপ্ত করতে সাহায্য করবে।
৮. বিশ্রাম করুন
শুধু শক্তিশালী মানুষেরা জানে কীভাবে বিশ্রাম করতে হয়। এমনকি তারা যখন ক্ষমতার (উন্নতির) সর্বোচ্চ পর্যায়েও থাকেন। কিন্তু কিছু মানুষ সময়ের সঙ্গে চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন যা তাদের ধ্বংস করে দেয়। যখন আপনি অবসন্ন, চিন্তাগ্রস্ত হবেন তখন আপনি মনোযোগ হারাবেন। এমনকি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণও হারিয়ে ফেলবেন। আপনাকে অবশ্যই বিশ্রাম করা শিখতে হবে অন্যথায় আপনার মূল্যবান সময়গুলো নষ্ট হবে। আমি আমার একজন নিকট আত্মীয়কে দেখেছি দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করতে এবং তিনি ব্যবসায় অনেক টাকার মালিক হলেন। দশ বছরে কখনো দেখিনি নিজের জন্য কখনো ছুটি নিয়েছেন। কিন্তু একটা সময় তার ব্যবসায় ক্ষতির সম্মুখীন হলো এবং তিনি খুব চিন্তাগ্রস্ত হলেন যা তাকে একটা সময়ে মানসিক রোগীতে পরিণত করে।
মাঝে মাঝে নিজকে কাজ থেকে অবমুক্ত করুন। কিছু সময় পরিবার নিয়ে ভ্রমণে যান। আপনজনের সঙ্গে ভালোবাসার কথা বলুন, রান্না করুন, মাছ ধরুন। এমনটি আপনাকে অনেক জটিল অবস্থার মধ্যেও চিন্তা মুক্ত রাখবে।
৯. আগামীকালের কাজের পরিকল্পনা আজই করে ফেলুন
প্রতিদিন সকালে পুরো দিনের কাজের পরিকল্পনা করে নিতে পারেন। আপনি যদি আরও অগ্রগামী হন তবে আগের রাতেই পরের দিনের পরিকল্পনা করে নেবেন। এখানে উদাহরণস্বরূপ একটি দিনের পরিকল্পনা কীভাবে করবেন তার কিছু উপদেশ দেওয়া হলো।
ঘুম থেকে ওঠা—ভোর ৫টা।
পরিচ্ছন্ন হওয়া, পানি পান, সকালের প্রার্থনা—৫টা ৩০ মিনিটের মধ্যে।
আজকের দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৩-৫টি কাজের পরিকল্পনা ও সময় ঠিক করুন।
বাচ্চাদের স্কুল ও পরিবারের জন্য সময় ঠিক করুন।
নিজের নাশতা, খাবার সময়, বিশ্রাম ও ব্যায়ামের সময় ঠিক করুন।
দিনকে তিন ভাগে ভাগ করে নিন। বিশেষভাবে সকালে ঘুম থেকে উঠে কী করবেন, সারা দিনের পরিকল্পনা এবং ঘুমানো যাওয়ার আগের কাজগুলো গুরুত্বপূর্ণ।
ঘুমানো যাওয়ার আগে কিছু সময় বই পড়ার অভ্যাস করতে পারেন।
প্রতিটি পরিকল্পনার আগে তিনটি বিষয় মাথায় রাখবেন। আপনার কাজ, আপনার স্বাস্থ্য ও আপনার জীবন।
ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং ঘুমাতে যাওয়ার পূর্বের সূচি আপনার পুরো দিনের কাজের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যায়ামাগারে যাওয়ার জন্য দিন ঠিক করতে পারেন এবং প্রতিদিন নিয়ম করে আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা দৌড়াতে পারেন।
মাঝে মাঝে নিজের সূচি পরিবর্তন করুন। বৈচিত্র্যতা আপনাকে স্বতঃস্ফূর্ত রাখবে।
১০. পরামর্শ নিন
কোনো প্রতিষ্ঠানকে সুপ্রতিষ্ঠিত হতে হলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থেকে উপদেশ গ্রহণ করতে হবে। উপদেশ গ্রহণ ছাড়া সফল হওয়া কঠিন। পৃথিবীর বড় বড় সফল প্রতিষ্ঠানগুলো পরামর্শ গ্রহণ করেই সফল হয়েছে। পরামর্শ ছাড়া সফল, এটা সাধারণত হয় না। কেউই সব বিষয়ে সবজান্তা নয়। প্রতিষ্ঠানের জন্য একজন ভালো পরামর্শক খুঁজুন। আপনার জ্ঞানকে বাড়ান। আপনি জানবেন কীভাবে আপনার ব্যবসা বড় করতে হয়। আবার নিজের জ্ঞানকেও অন্যের সঙ্গে শেয়ার করুন। যখন আপনার জ্ঞানকে প্রকাশ করবেন, এটা বস্তুত কাউকে শিক্ষিত করবে, উদ্দীপ্ত করবে যে, সে আগে বাড়তে পারে। আপনি আপনার জ্ঞানকে প্রসারিত করছেন, যা আপনার প্রতিষ্ঠানকে বড় ও সুপ্রতিষ্ঠিত করবে কারণ কঠিন কাজগুলো আপনি আর একা করবেন না।
সূত্রঃ প্রথম আলো

যারা নিজেই ভারসাম্য হতে চান উপদেশ নিতে পারেন।

কোন ব্যবসা শুরু করার জন্য নিম্মোক্ত ব্যক্তিরা আপনাদের তথ্যগত সহযোগিতা দিতে পারবেন-
কৃষি উপদেষ্টাঃ ক. Xenon Chang
খ.
........................
১. পান বরজ সম্পর্কে জানতেঃ Polo Chakma
২. নার্সারি বিষয়েঃ Tepantor Larma Apu
৩. ইন্টারনেট ফ্রিলেন্সিং বিষয়েঃ Avenue Sangma, Voyongkor Baba & Prasundev Chakma
৪. মাছ চাষ ও হাঁস পালন বিষয়েঃ অসমাপ্ত আমি
৫. কোয়েল সম্পর্কে জানতেঃ Suitan Chakma
৬. মাশরুম বিষয়ে জানতেঃ Dewan Mohon & Amit Hill
৭. বনজ সব্জি বিষয়েঃ Jumo Alay
৮. ইলেক্ট্রিক্যাল বিষয়ে অভিজ্ঞঃ Kanak Chakma
৯. ই-কমার্স ব্যবসা বিষয়েঃ Avenue Sangma & Joy Marma
১০. MBC আউটসোর্সিং এ অভিজ্ঞঃ Shepan Shepan Chakma
১১. ছাগল পালনে অভিজ্ঞঃ নিলয় চাকমা @ Adison Chakma
১২. ভিডিও এডিটিং ও সিও অভিজ্ঞঃ Voyongkor Baba
১৩. ক্যামিকেল বিষয়েঃ অমিত চাকমা নিবির
১৪. কৃষিবিষয়ক ও মুরগি চাষ বিষয়েঃ Adison Chakma
১৫. টিশার্ট/সোয়েটার/গার্মেন্টস প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতেঃ Chota Mani Chakma
----------------------------
মাছ চাষ বিষয়ে তথ্য পেতে এই ওয়েব সাইত টি দেখতে পারেন bn.bdfish.org (কৃতজ্ঞতায় -অসমাপ্ত আমি)
---------------------------------
বিঃদ্রঃ বিশেষ কিছু সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাকলে আপনিও এগিয়ে আসুন। অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান শেয়ার করে সবাইকে আলোকিত করুন। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
কার্টেসি-----Amit Hill

Saturday, September 17, 2016

কারিগরি দক্ষতা বাড়াতে হবে পাহাড়ে

বাংলাদেশের একটি অংশ পার্বত্য চট্টগ্রাম। এই পার্বত্য চট্টগ্রাম অধিকাংশ পাহাড় কিছু অংশ ধান্য জমি। তাই পাহাড়ের বাসিন্দারা অধিকাংশ প্রকৃতির উপর নির্ভরশীল। সময়ে সময়ে প্রকৃতি বিপর্জয় ঘটলে পাহাড়ে দুঃখ নেমে আসে। পাহাড়ে অধিকাংশ জুম চাষ করে। আগে পাহাড়ে জুম চাষ ভালো হতো। এখন আর সেই ধরনের ভাল ফসল হয় না। তাই এখন পাহাড়ে অভাব জিনিসটা বেশি দেখা যায। পাহাড়ে শিক্ষিত হার অত্যান্ত নাজুক। যদি সদরের এলাকায় লেখাপড়া করতে দেখা গেলেও, প্রত্যান্ত অঞ্চলের শিক্ষার আলো এখনো পৌছায় নি। তাই প্রত্যান্ত অঞ্চলের মানুষ এখনো শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত।
পাহাড়ে লেখাপড়া মান এত উন্নত নয়। তাই শহরের লেখাপড়া আর পাহাড়ের লেখা পড়া আকাশ পাতাল পার্থক্য। তাই পাহাড়ে লেখা পড়া করে শহরে এলে লেখাপড়ায় পরিবেশে খাপ খাওয়াতে হিমশিম খেতে হয়। অনেকে লেখাপড়া বন্ধ করে শহর থেকে চলে যেতে বাধ্য হয়। লেখাপড়া বন্ধ করে পাহাড়ে চলে যায়। কিন্তু লেখাপড়ার সময় কিছু শিখে নি। আজ পাহাড়ে গিয়ে নানা কাজে লিপ্ত হচ্ছে। আর বর্তমান সমাজে মদ, জুয়া, আফিম, হিরোইন এবং ইয়াবা থাবা গ্রাস করছে যুব সমাজকে। তাই যুব সমাজকে বিভিন্ন কারিগরি দক্ষতা কাজ শিখতে হবে। কাজের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে হবে। বড় বড় বুদ্ধি জীবিদের এগিয়ে আসতে হবে। তারা বিভিন্ন সমাজে উৎসাহিত করে কারিগরি শিক্ষার প্রচার ও প্রসার করতে উৎসাহিত করবে যুব সমাজকে।
কারিগরি দক্ষতা থাকলে বর্তমান বিশ্বে ঠিকে থাকা যাবে। আর যদি কারিগরি দক্ষতা না থাকে তাহলে আমরা সব দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকবো। এবং সব দিক দিয়ে প্রতারিত হবো।
তাই আসুন যুব সমাজ কারিগরি দক্ষতা অর্জন করি। এবং দারিদ্র বিমোচন করি।

Friday, September 16, 2016

চাকুরী বনাম উদ্যক্তা (ছোট ব্যাবসা)

আমাদের সমাজে একটা সরকারি চাকুরী থাকলে অনেক বড় স্টার হয়ে যায়। সমাজের মানুষ মনে করে চাকুরীতাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় সমাধান। তাই আমাদের সমাজে ছাত্র-ছাত্রীরা সেই মন নিয়ে লেখপড়া করে। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত হয়ে সেই যখন চাকুরী বাজারে যায়। তখন ঘুষ দিয়ে চাকুরী করে। ঘুষের পরিমান ৮/১০ লাখ। এই হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকুরী অবস্থা। কারন, সরকার ৬১টি জেলা সমান ভাবে পরিচালনা করে। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রাম আলাদা ভাবে শাসিত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামে জেলা পরিষদ হচ্ছে সর্বেসর্বা। তাই তারা শুধু দুর্নীতি করে চাকুরী প্রদান করে। এখন আপনি একজন সব্বোর্চ ডিগ্রি নিয়ে গোলামি করতে চান। তা আপনার বিষয়। কিন্তু আপনি যে ঘুষের টাকা দিচ্ছেন। সেই টাকা গুলো দিয়ে আপনি আপনার পছন্দ মত ব্যাবসা করেনতো। দেখবেন আপনি কত বড় ব্যাবসায়ী হয়েছেন। কিন্তু আমাদের মত সাধারন ছাত্র-ছাত্রীরা সেই ধরনের মত ঝুকি নিতে পারে না। তাই তারা শুধু চাকুরী খোজে। আজ বর্তমান আমেরিকা এই উদ্যক্তা কারনে অনেক ধনী দেশ হয়েছেন।
আপনি ছোট একটা ব্যবসা করেন। আপনি একলাফে বড় হতে পারবেন না। ধাপে ধাপে আপনি শুরু করতে পারেন। ধাপে ধাপে বড় হয়ে যাবেন যদি আপনার সততা, একনিষ্টতা, শ্রমশীল ও ধৈর্য থাকে।
পাহাড়ে জিনিসগুলো সব দিক দিয়ে ভালো। কারন, আমাদের আদিবাসীরা পরমালিন দেয় না। যেমন- কলা, কাঠাল, কমলা, আম, লিচু, বিভিন্ন শাক সবজি। এগুলো ঢাকায় বা চট্টগ্রামে প্রচুর চাহিদা। পাহাড়ের জিনিস হলে বাঙালিরা হুমড়ে খেয়ে পড়ে কেনার জন্য।
বাঙালিরা তো আমাদের জিনিস দিয়ে বড় লোক হয়ে গেছেন। যেমন কত বড় বড় কলা ব্যবসায়ী, গাছ ব্যাবসায়ী, ঝাড়ু ফুল ব্যবসায়ী। এগুলো সব পাহাড়ের জিনিস। ব্যবসায়ী সব বাঙালি। বিক্রেতা হচ্ছে আমাদের আদিবাসী। যেই দাম পাই তারা এগুলো ন্যায্য দাম নই।।
তাই আসুন তরুন সমাজ। আমরা শুরু করি। আমাদের বিভিন্ন চ্যানেল তৈরি করে কাজ শুরু করি ।
“আর নই গোলামগিরি... আমরা এখন ব্যবসা ধরি“

কারিগরি দক্ষতা অভাব

পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থান করতে না
পেরে বা জীবনে জীবিকা নির্বাহ
করার জন্য। চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা,
ত্রিপুরা নানা ধরনে আদিবাসীর
ঢাকা এবং চট্টগ্রামে গার্মেন্ট
কর্মী হিসেবে অবস্থান করছে। তারা
নিজেদের সুখের আশায় ঢাকা
চট্টগ্রামে চলে আসছে। কিন্তু কোই সুখ।
সেই সুখ কেড়ে নিচ্ছে পার্বত্য
চট্টগ্রামের তিনটি আঞ্চলিক দল গুলো।
সারাদিন পরিশ্রম করে রাত্রে
বেলায় শান্তিতে ভাত খাওয়ার
সুযোগ নেই। তাহলে কিজন্য পার্বত্য
চট্টগ্রাম থেকে সুখের আশায় ঢাকা
চট্টগ্রামে আসা। আমরাদের মা
বোনেরা- ভাইয়েরা কত কষ্ট করে না
খেয়ে, না ঘুমে, না পড়ে পার্বত্য
চট্টগ্রামের অবস্থান রত মা- বাবা,
ভাইবোনদের কিছু অর্জন করছে। তা
ঢাকা বা চট্টগ্রামে তিনটি
আঞ্চলিক দল নিয়ে নিচ্চে।
জীবিকার তাগিদে এখানে আশা,
আমরা কেন রাজনীতি করবো।।। ঢাকা
বা চট্টগ্রামে আদিবাসী অধ্যুষিত
এলাকায় স্লোগান দিয়ে চলে যায়।
তিনটি আঞ্চলিক দল নিজেরা নিজে
মারা মারি করে। সবশেষে কার লাভ
সব বাঙালিদের লাভ। ফেসবুকে
তিনটি আঞ্চলিক দল কি করছে?
আপনাদের জ্বালায় আদিবাসী
পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থান করতে
পারছে না। এখন ঢাকায় বা
চট্টগ্রামেও অবস্থান করতে পারছে
না। তাহলে সুধী বুদ্ধিজীবি মহল
আপনারা বলুন আদিবাসীরা কোই
যাবে। স্লোগান দিয়ে দিয়ে চলে
যায়। আর বাঙালিরা মুচকি হাসি
দিয়ে চেয়ে থাকে। তারা আবার
উৎসাহিত করে এই ধরনের স্লোগান
দেয়ার জন্য। তাই যারা বুদ্ধিজীবি
মহল আপনার সদয় দৃষ্টি রাখবেন। যারা
সারাদিন পরিশ্রম করে তাদের

Thursday, September 15, 2016

আধুনিক বিশ্ব

আধুনিক বিশ্ব আজ কারিগরি দক্ষতা নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে। আজ সব কিছু কারিগরি দক্ষতা কারনেই। যে দেশ বা জাতি কারিগরি নিয়েই দক্ষতা সেই দেশ তত উন্নত। বাংলাদেশ একটি উন্নয়ন শীল দেশ। তাই দেশে এখনো কারিগরির দক্ষ জনবলের অভাব। বাংলাদেশ সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে দেশে দক্ষ জনবল তৈরি করার জন্য।