আমাদের সমাজে একটা সরকারি চাকুরী থাকলে অনেক বড় স্টার হয়ে যায়। সমাজের
মানুষ মনে করে চাকুরীতাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় সমাধান। তাই আমাদের সমাজে
ছাত্র-ছাত্রীরা সেই মন নিয়ে লেখপড়া করে। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত হয়ে সেই যখন
চাকুরী বাজারে যায়। তখন ঘুষ দিয়ে চাকুরী করে। ঘুষের পরিমান ৮/১০ লাখ। এই
হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকুরী অবস্থা। কারন, সরকার ৬১টি জেলা সমান
ভাবে পরিচালনা করে। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রাম আলাদা ভাবে শাসিত হয়। পার্বত্য
চট্টগ্রামে জেলা পরিষদ হচ্ছে সর্বেসর্বা। তাই তারা শুধু দুর্নীতি করে
চাকুরী প্রদান করে। এখন আপনি একজন সব্বোর্চ ডিগ্রি নিয়ে গোলামি করতে চান।
তা আপনার বিষয়। কিন্তু আপনি যে ঘুষের টাকা দিচ্ছেন। সেই টাকা গুলো দিয়ে
আপনি আপনার পছন্দ মত ব্যাবসা করেনতো। দেখবেন আপনি কত বড় ব্যাবসায়ী হয়েছেন।
কিন্তু আমাদের মত সাধারন ছাত্র-ছাত্রীরা সেই ধরনের মত ঝুকি নিতে পারে না।
তাই তারা শুধু চাকুরী খোজে। আজ বর্তমান আমেরিকা এই উদ্যক্তা কারনে অনেক ধনী
দেশ হয়েছেন।
আপনি ছোট একটা ব্যবসা করেন। আপনি একলাফে বড় হতে পারবেন
না। ধাপে ধাপে আপনি শুরু করতে পারেন। ধাপে ধাপে বড় হয়ে যাবেন যদি আপনার
সততা, একনিষ্টতা, শ্রমশীল ও ধৈর্য থাকে।
পাহাড়ে জিনিসগুলো সব দিক দিয়ে
ভালো। কারন, আমাদের আদিবাসীরা পরমালিন দেয় না। যেমন- কলা, কাঠাল, কমলা, আম,
লিচু, বিভিন্ন শাক সবজি। এগুলো ঢাকায় বা চট্টগ্রামে প্রচুর চাহিদা।
পাহাড়ের জিনিস হলে বাঙালিরা হুমড়ে খেয়ে পড়ে কেনার জন্য।
বাঙালিরা তো
আমাদের জিনিস দিয়ে বড় লোক হয়ে গেছেন। যেমন কত বড় বড় কলা ব্যবসায়ী, গাছ
ব্যাবসায়ী, ঝাড়ু ফুল ব্যবসায়ী। এগুলো সব পাহাড়ের জিনিস। ব্যবসায়ী সব
বাঙালি। বিক্রেতা হচ্ছে আমাদের আদিবাসী। যেই দাম পাই তারা এগুলো ন্যায্য
দাম নই।।
তাই আসুন তরুন সমাজ। আমরা শুরু করি। আমাদের বিভিন্ন চ্যানেল তৈরি করে কাজ শুরু করি ।
“আর নই গোলামগিরি... আমরা এখন ব্যবসা ধরি“
No comments:
Post a Comment